1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
স্ট্রোকের প্রকারভেদ ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব - Janatar Jagoron
  • E-paper
  • English Version
  • শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম
এআই চ্যাটবটে কখনোই যেসব সংবেদনশীল তথ্য শেয়ার করবেন না ঝিনাইদহ মহেশপুরে বজ্রপাতে গৃহবধূ নিহত মেসি ও এএফএ’র বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণা মামলা ঘিরে হাদি হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র ব্যবসায়ী হেলাল তিন দিনের রিমান্ডে এপ্রিল নয় মে মাসেও জ্বালানি তেলে কোনো সংকট থাকবে না অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব সহিংসতায় প্রশ্রয় ছিল : ডা. জাহেদ উর রহমান নতুন শ্রমবাজার খুঁজছে সরকার, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে চুক্তির উদ্যোগ বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার ২২ সদস্যের স্কোয়াড প্রায় চূড়ান্ত ঘোষণা আনুষ্ঠানিকভাবে পাঁচ আরব দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি ইরানের হারাম উপার্জনে ইবাদত কবুল হয় না ইসলামের স্পষ্ট নির্দেশ

স্ট্রোকের প্রকারভেদ ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব

  • সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২৫১ বার পঠিত
স্ট্রোকের প্রকারভেদ ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব
this is a collected or created picture for Janatar Jagoron news.

স্ট্রোক মূলত তিন ধরনের হয়ে থাকে: ইস্কেমিক স্ট্রোক (যখন মাথার রক্তনালির রক্তপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়), হেমোরেজিক স্ট্রোক (যখন রক্তনালি ছিঁড়ে রক্তক্ষরণ হয়), এবং ট্রান্সিয়েন্ট ইস্কেমিক অ্যাটাক (হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার ফলে হওয়া স্ট্রোক)।

এইসব স্ট্রোকের মধ্যে, মস্তিষ্কের ভেতরের রক্তনালির বন্ধ হয়ে যাওয়া বা ছিঁড়ে যাওয়া পরিস্থিতি অনুযায়ী স্ট্রোকের প্রভাব কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে বা ক্ষণস্থায়ী হবে, তা নির্ভর করে কোথায় স্ট্রোকটি ঘটেছে এবং দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার ওপর।

যেহেতু স্ট্রোকের ধরণ এবং এর প্রভাব মস্তিষ্কের নির্দিষ্ট অংশের ওপর নির্ভরশীল, চিকিৎসকরা সরাসরি এটি বলে দিতে পারেন না যে রোগী কতোদিনের মধ্যে আগের মতো স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন বা সম্ভবত করবেন কি না।

তবে মস্তিষ্কের কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ রয়েছে, যেগুলি আমাদের দৈনন্দিন কাজ যেমন হাঁটা, হাত-পা নড়ানো, কথা বলা, শ্বাসপ্রশ্বাস, বোঝা, এবং চোখে স্পষ্ট দেখা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে। এই অংশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলে, তাদের নির্দিষ্ট কার্যক্ষমতা প্রভাবিত হতে পারে।

এখানে কিছু নির্দিষ্ট থেরাপির মাধ্যমে উন্নতি সম্ভব। এই থেরাপিগুলি হলো:

• নিউরোলজিস্টের মাধ্যমে দেওয়া নিয়মিত ওষুধ এবং থেরাপি, যেমন ফিজিওথেরাপি, স্পিচ থেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি, এবং সাইকোথেরাপি।

হেমোরেজিক স্ট্রোকের প্রথম কারণ হলো হাইপারটেনশন এবং অনিয়মিত প্রেসারের ওষুধের ব্যবহার। মস্তিষ্কের বিশেষ কিছু অংশের ওপর ভিত্তি করে রোগীকে অপারেশন প্রয়োজন কিনা, তা নির্ধারণ করা হয়।

স্ট্রোকের দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত:

• কগনিটিভ ডিসফাংশন, যেমন স্মৃতিশক্তি হারানো, মনোযোগ বজায় রাখতে না পারা, সহজ কাজ করতে অসুবিধা হওয়া। • কথার গতি হারিয়ে যাওয়া, কথায় অস্পষ্টতা, বা কথার মধ্যে কোনো মিল না থাকা। • বিষণ্নতা, অস্থিরতা, উদ্বেগ এবং পোস্ট ট্রমাটিক ডিসট্রেস।

এইসব সমস্যার জন্য প্রয়োজনীয় সাপোর্ট হতে পারে নিয়মিত ওষুধ, ফিজিওথেরাপি, স্পিচ থেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি, এবং সাইকোথেরাপি। স্ট্রোক-পরবর্তী উন্নতি সাধারণত ধীরগতিতে হয়, তাই রোগীকে সেরে উঠার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। রোগীকে মানসিক সাপোর্ট দিয়ে তাকে সহায়তা করার গুরুত্ব রয়েছে।

ডা. হিমেল বিশ্বাস, ক্লিনিক্যাল স্টাফ, নিউরোলজি বিভাগ, স্কয়ার হাসপাতাল, ঢাকা। (সূত্র: প্রথম আলো)

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..